রবিবার, অক্টোবর 25, 2020

ওরাংওটাংয়ের সঙ্গে সেক্স!
ওরাংওটাংয়ের সঙ্গে সেক্স!

ওরাংওটাংয়ের সঙ্গে সেক্স!

  • scoopypost.com - Jan 09, 2020
  • যৌনবিকৃতি আর কাকে বলে! মানুষের লালসার শিকার পশু। পশুর ওপর মানুষের পাশবিক অত্যাচার যা শুধু প্রকৃতি বিরুদ্ধই নয়, আইন বিরুদ্ধও বটে। ইন্দোনেশিয়ার কারেংপাঙ্গি গ্রামে মাদি ওরাংওটাং ‘পনি’-র জীবনকাহিনী এমনই করুণ। মায়ের কোল থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শৈশবেই সে হারিয়েছিল অরণ্যের অধিকার। রীতিমতো চেন দিয়ে বেঁধে তাকে যৌনদাসি করে রাখা হয়। দীর্ঘদিন তাকে মানুষের লালসার শিকার হতে হয়। কতদিন তা অজানা। তবে তাকে এতটাই নারকীয় অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছিল যে পুরুষ মানুষ দেখলেই ভয়ে কুঁকড়ে যেত সে।

    ২০০৩ সালে ‘পনি’কে উদ্ধার করা হয় ইন্দোনেশিয়ার কারেংপাঙ্গি গ্রাম থেকে। কাজটা অবশ্য তত সহজ ছিল না। সশস্ত্র গ্রামবাসী ও শ্রমিকরা বাধা দিয়েছিল। রীতিমতো একে ৪৭ রাইফেলধারী ৩৫ জন পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করা হয় ওই ওরাংওটাংটিকে। উদ্ধারকারী দলের অন্যতম সদস্য ডেনমার্কের পশু সংরক্ষণকারী লোন ড্রোসার নিয়েলসেন একথা জানিয়েছেন।  

    ইন্দোনেশিয়ার পাম চাষি ও পাম তেল কারখানার শ্রমিকরা মাত্র দু’ডলারের বিনিময়ে সঙ্গে সঙ্গম সেরে নিত পনি-র সঙ্গে। পাছে বাধা আসে তাই চেন দিয়ে তাকে যৌনদাসী বানিয়ে রেখেছিল ওই গ্রামের এক বাসিন্দা। একদিন অন্তর তার লোম চেঁচে দেওয়া হত। গায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হত সুগন্ধী। পরানো হত গয়নাও। উদ্ধার করে ওরাংওয়াং পনিকে রাখা হয়েছে নায়ারু মেনচেম রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। আগে পুরুষমানুষ দেখলেই ভয়ে কুঁকড়ে যেত পনি। তাই উদ্ধারের পরে তার সামনে কোনও পুরুষ মানুষ আসতে দেওয়া হয়নি। এখন অবশ্য ট্রমা অনেকটা কাটিয়ে উঠেছে সে।