মঙ্গলবার, মে 11, 2021

পৃথিবীর নির্জনতম বাড়ি
পৃথিবীর নির্জনতম বাড়ি

পৃথিবীর নির্জনতম বাড়ি

  • scoopypost.com - Dec 19, 2020
  • মাঝে মাঝে অনেকেরই ইচ্ছে হয় হারিয়ে যেতে। এমন এক জায়গায় যেখানে সহজে কেউ  খুঁজে পাবে না। ছোটবেলায় কতবারই তো মনে হয়েছে দূরে কোথাও চলে যাই। যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি হয়ত। এবার কিন্তু এমন এক  জায়গার সন্ধান পাওয়া গেছে। হঠাৎ হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে হলে সেখানে যাওয়া যেতেই পারে। এ কথা হলপ করে বলা যায় হারিয়ে যাওয়ার সেরা ঠিকানা এটাই। কারণ একেই বিশ্বের নির্জনতম বাড়ি বলা হচ্ছে। শুনে যেতে ইচ্ছে করছে?তাহলে এই বাড়ি সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য দিয়ে রাখি।

    এলিদায়ের নাম শুনেছেন? দক্ষিণ আইসল্যান্ডের এক দ্বীপ। আর এই দ্বীপেই রয়েছে বিশ্বের নির্জনতম বাড়ি।  ছোট্ট এই সাদা বাড়িটি সারা বিশ্বের নজর কড়েছে।  সম্প্রতি এই বাড়ির ছবি ইনস্টাগ্রামে  পোস্ট করা হয়। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। এই বাড়ি সম্পর্কে আবার একাধিক তথ্য সামনে আসছে। যা দেখে এই বাড়ি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কৌতূহল আরও বেড়ে গেছে।

    চারিদিকে নীল সমুদ্রে ঘেরা পাহাড়ের কোলে ছোট্ট এই বাড়ির ছবি দেখলে নজর ফেরানো মুশকিল। বার বার মনে হবে একবার ঘুরে আসি। এই ব্যস্ত জীবনকে পিছেন রেখে কটাদিন একটু নির্জনে একা একা  কাটিয়ে আসি। যাবেন কোথায়? অনেকে ত এই বাড়ির অস্তিত্বই স্বীকার করতে চাইছেন না। তাঁরা বলছেন এ বাড়ির বাস্তব অস্তিত্ব নেই, সবই ফটোশপের কারসাজি। না , এ কথাকে বিশ্বাস করার কারণ নেই। সংবাদ সংস্থা মিররের মতে এই বাড়ি ভেস্তামেঞ্জার দ্বীপপুঞ্জের  অংশ। এখানে এরকম ১৫থেকে ১৮টা দ্বীপ রয়েছে। এখন এই দ্বীপ জনমানবহীন। এক সময় পাঁচটি পরিবার বাস করত।১৯৩০ সাল নাগাদ তারা এই দ্বীপ ছেড়ে যায় ।  

    এই বাড়ি নিয়ে আরও রটনা আছে। যেমন কেউ বলেন, এই বাড়ি এক ক্ষ্যাপাটে কোটিপতি তৈরি করেছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল পৃথিবীতে যখন প্রলয় আসবে তখন তিনি এখানে আশ্রয় নেবেন। আবার কেউ বলেন, আইসল্যান্ডেরই এক বিখ্যাত গায়ক বজর্ক এই বাড়ি বানিয়েছিলেন। আবার কেউ বলেন এটা আসলে এক সন্ন্যাসীর বাড়ি।  

    আসলে এই বাড়ি এলিদায়ের শিকার সংস্থার । তৈরি হয় ১৯৫০ সালে। সামুদ্রিক পাখী শিকার করতে এসে এই বাড়িতেই আশ্রয় নিতেন সংস্থার সদস্যরা। নির্জনের সঙ্গে সহবাস করতে যাবেন নাকি একবার এলিদায়ের?