সোমবার, মার্চ 08, 2021

মহাশূন্যে ফ্ল‍্যাটবাড়ি ১৫ বছরেই
মহাশূন্যে ফ্ল‍্যাটবাড়ি ১৫ বছরেই

মহাশূন্যে ফ্ল‍্যাটবাড়ি ১৫ বছরেই

  • scoopypost.com - Jan 25, 2021
  • প্রতিদিন জনসংখ্যা বাড়ছে  পৃথিবীতে। জনসংখ্যার এই ভার আর বইতে অক্ষম বসুন্ধরা। বসবাসের স্থান যেমন অকুলান হয়ে আসছে ক্রমশ তেমনই পরিবেশও আর কতদিন মানুষের বসবাস উপযোগী থাকবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। তাই মানুষ বাসের উপযোগী পৃথিবীর বিকল্প স্থান অনুসন্ধানে রত বিজ্ঞানীরা। আর পৃথিবীর বিকল্প হিসেবে চাঁদ আর মঙ্গলের কথাই বারবার উঠে এসেছে। তবে ফিনল‍্যান্ডের পদার্থবিদ পেকা জানহুনেন পৃথিবী থেকে ৩২৫ মিলিয়ন মাইল দূরের বামন গ্রহ সেরেস-কে মানুষের বসবাসোপযোগী বলে চিহ্নিত করেছেন। শুধু তাই নয়, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ এই গ্রহের জলবায়ু পৃথিবীরই মতো হওয়ার ফলে সেখানে ১৫ বছর অর্থাৎ ২০৩৬ সালের মধ্যেই বসতি গড়ে উঠতে পারে বলে মত পেকার। হেলসিঙ্কির ফিনিশ মেটিওরোলজিক‍্যাল ইন্সটিটিউটের পদার্থবিদ পেকা জানহুনেন মহাশূন্যে মানুষের বসতির নকশাও তৈরি করে ফেলেছেন। শূন্যে ভাসমান চাকতির মতো পদার্থগুলোই মহাশূন্যে ভবিষ্যতের ফ্ল‍্যাটবাড়ি। এক একটি বাড়িতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বাস করতে পারবেন। গোলাকার ফ্ল্যাট বাড়িগুলো মাধ‍্যাকর্ষণের টান এড়িয়ে একদিকে যেমন শূন‍্যে ভেসে থাকতে পারে তেমনই পরস্পরের সঙ্গে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের মাধ্যমে। এই বাড়িগুলোর ৬০০ মাইলের মধ্যে কিছু রাখা যাবেনা বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানী পেকা। স্পেস এলিভেটরের মাধ্যমে মানুষ নিজেদের ঘরবাড়িতে ঢুকতে পারবে। বামন গ্রহ সেরেসকে ঘিরে থাকা গ্রহাণুদের থেকে ঠিকরানো ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি রোধ করার জন্য মহাশূন্যের ফ্ল‍্যাটবাড়িসমৃদ্ধ শহরের চারপাশে এক বিশেষ ধরনের আয়না রাখার প্রস্তাব করেছেন পদার্থবিদ পেকা। তাঁর মতে আয়নায় প্রতিফলিত অতিবেগুনি রশ্মি বিপরীত দিকে ঠিকরে যাওয়ায় ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচবে মানুষ। তবে মানুষের বসতি গড়ে ওঠার অন্যতম শর্তই হল জ্বালানি। জ্বালানি কী হবে তা নিয়ে অবশ্য কোনও আলোকপাত করেননি বিজ্ঞানী পেকা। তাঁর আশা, ১৫ বছরের মধ্যে বিজ্ঞানের অনেক উন্নতি ঘটবে। ফলে মহাশূন্যে মানব বসতি গড়ে ওঠার জন্য অন‍্যান‍্য শর্তপূরণও সম্ভব হবে।