সোমবার, অক্টোবর 26, 2020

রামের মামাবাড়ি চাঁদখুড়িতে নয়া পর্যটনকেন্দ্র
রামের মামাবাড়ি চাঁদখুড়িতে নয়া পর্যটনকেন্দ্র

রামের মামাবাড়ি চাঁদখুড়িতে নয়া পর্যটনকেন্দ্র

  • scoopypost.com - Aug 02, 2020
  • একদিকে সাজো সাজো রব যখন অযোধ্যায়, চলছে ভূমি পুজোর তোরজোড়, অন্য দিকে তখন রামের মামারবাড়ির জন্য তৈরি হচ্ছে ব্লু-প্রিন্ট।

    চাঁদখুড়ি, ছত্তিশগড়ের এক গ্রাম। সেখানেই শুরু হচ্ছে রামের মা কৌশল্যার মন্দিরকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ। ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরাণমতে রামচন্দ্রের মামাবাড়ি এই চাঁদখুড়িকে সাজিয়ে-গুছিয়ে ভবিষ্যতে ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।এজন্য ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দও হয়েছে।

    ছত্তিশগড়ের সবুজ ঘেরা পাহাড়ি গ্রাম চাঁদখুড়ি। সেখানেই বিশাল জলাশয়ে রয়েছে প্রাচীন কৌশল্যা মাতার মন্দির। পুরাণমতে এই গ্রামই ছিল রামের মা কৌশল্যার জন্মস্থান।এখান দিয়ে রাম বনবাসে গিয়েছিলেন। সেই মন্দির ও আশপাশের এলাকার আমূল সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছত্তিশগড়ের ভূপেশ বাঘেলের সরকার।

    মন্দির সংস্কার হবে তো বটেই, জলাশয় সংস্কার হবে। মন্দিরে যাওয়ার জন্য হবে সেতু। সেই সেতু এমন ভাবে তৈরি হবে যাতে মনে হয় হাত দিয়ে তা ধরে রাখা হয়েছে।অন্ধকারে থাকবে বিশেষ লাইটিং-এর ব্যবস্থা।মন্দির থেকে ভেসে আসবে ভক্তিগীতির সুর। পর্যটকদের জন্য শুধু চত্বরই নয় গ্রামেরই উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।প্রতি বছর দীপাবলীতে গ্রামের মহিলারা জলাশয়ে প্রদীপ ভাসান। আলোর উত্সব যাতে অন্য মাত্রা পায় সে জন্য আগামী বছরের দীপাবলীর আগেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এবছর করোনা জেরে প্রতি উত্সবেই রাশ টানা হচ্ছে। সকলেরই আশা করোনামুক্ত পৃথিবীতে নতুন করে সমস্ত উত্সব হবে।

    ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল জানান, মাতা কৌশল্যার পুরনো মন্দিরের আদল নষ্ট না করেই সৌন্দর্য্যায়ণের কাজ হবে।পাশাপাশি রামের বনবাসের যাত্রার পথটিও সাজিয়ে তোলা হবে। চাঁদখুড়িতে একটি মন্দির স্থাপনেরও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।পর্যটক ও ভক্তদের সুযোগ-সুবিধের দিকটিও দেখবে রাজ্য সরকার।

    ‘রামবন গমন পর্যটন পরিপথ’-হিসেবে ন’টি জায়গা সাজিয়ে তুলছে ঝাড়খণ্ড সরকার। স্থানীয়দের বিশ্বাস ওই ন’টি পথ ধরে রাম বনবাসে গিয়েছিলেন। এই জায়গাগুলোর মধ্যে পড়ছে সীতামান্ডি-হারচকুয়া (কোরিয়া, রামগড় (অম্বিকাপুর), শিবরিনারায়ণ(জঞ্জগিড়-চম্পা), তুরতুরিয়া (বলদাবাজার)।এ জন্য পর্যটন দফতরের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে। ১৩৭ কোটি টাকার বাজেট ধার্য হয়েছে।