রবিবার, এপ্রিল 18, 2021

এইচআইভি নির্মূলের বার্তায় বিশ্ব এইডস দিবস
এইচআইভি নির্মূলের বার্তায় বিশ্ব এইডস দিবস

এইচআইভি নির্মূলের বার্তায় বিশ্ব এইডস দিবস

  • scoopypost.com - Dec 01, 2020
  • বিশ্ব থেকে এইডস মহামারি নির্মূলের বার্তা দিয়ে পালিত হল বিশ্ব এইডস দিবস। হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস, যার সংক্রমণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে তলানিতে ঠেকে।আর একটু একটু করে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট হতে হতে মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, তা এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে মহামারি। তথ্য বলছে, এইডস সংক্রমণে ভারতের স্থান বিশ্বে তৃতীয়।

    যৌন সংসর্গ, সংক্রামিতের রক্ত অন্যের শরীরে প্রবেশ করলে, কিম্বা মা এইচআইভি পজিটিভ হলে সন্তানের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে এইডস। যা বিশ্বজুড়ে মাথাব্যাথার কারণ। আর ২০২০ সালে এই দিনটির প্রাসঙ্গিকতাই বদলে গিয়েছে। কারণ, এইডসের দোসর হয়েছে অতিমার করোনা। এইডস যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে, করোনাও তেমনই শ্বাসনালীকে আক্রমণ করে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ভেঙে দেয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।এইডস-এ আক্রান্তদের করোনা সংক্রমণের সম্ভবনা যেমন অত্যন্ত বেশি তেমনই করোনা ও এইডস কারও শরীরে বাসা বাঁধলে মৃত্যু যে তরান্বিত হবেই বলা বাহুল্য।

    উপযুক্ত চিকিত্সায় এইডস সম্পূর্ণ সারানো সম্ভব না হলেও, রোগাক্রান্তের আয়ু বাড়ানো সম্ভব। মহামারি হয়ে ওঠা এইডস যাতে নতুন করে না ছড়ায়, সে ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতেই বিশ্ব এইডস দিবস উদযাপনের ভাবনা। ১৯৮৮ সাল থেকে ১ ডিসেম্বর দিনটি এইডস দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই এই ভাইরাসকে ঠেকানো। এইডস নির্মুল করা। নিশ্চিত করা এইডস এ যেন আর কারও মৃত্যু না হয়।

    সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এইডস সংক্রান্ত কর্মসূচিতে দুই কর্মকর্তা জেমস ডব্লিউ ব্লুন ও টমাস নেটটার বিশ্ব এইডস দিবসের পরিকল্পনা করেছিলেন ১৯৮৭ সালে। তার পরের বছর থেকে বিশ্ববাসীকে এইডস সম্পর্কে সচেতন করতে, এইডস-এর সংক্রমণ ঠেকাতে এই দিবসটি পালন হয়ে আসছে।

    এবছর করোনা অতিমারিতে বিপন্নতার মুখে সমস্ত এইচআইভি পজিটিভ রোগী।মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহারে তাঁদের খুব বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ, এইডস-এর দরুণ রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তার খুব সহজে করোনা আক্রান্ত হতে পারেন।

    কীভাবে নির্মুল করতে পারেন এইডস? তার জন্য নিজেকেই সতর্ক হতে হবে।

    এই উপসর্গ অন্য একাধিক রোগেও হয়। কিন্তু যদি কেউ অসুরক্ষিত যৌন জীবনযাপন করে থাকেন, বা কোনও দুর্ঘটনার জন্য রক্ত নিতে হয়েছে এমন হয় তাঁদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন অবশ্যই।এছাড়া স্বাস্থ্যকর্মী, শল্য চিকিত্সক যাঁরা এইডস রোগীর অপারেশন করেছেন বা রক্তাক্ত জিনিস ধুয়েছেন তাঁদের বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার কাজের সময়।