মঙ্গলবার, নভেম্বর 24, 2020

ক্ষুধা সূচকে ভারতের আগে পাকিস্তান, বাংলাদেশ
ক্ষুধা সূচকে ভারতের আগে পাকিস্তান, বাংলাদেশ

ক্ষুধা সূচকে ভারতের আগে পাকিস্তান, বাংলাদেশ

  • scoopypost.com - Oct 18, 2020
  • প্রতিবেশী সবাই পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারতকে। বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এমনকি পাকিস্তানও ভারতের আগে জায়গা করে নিয়েছে। বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১০৭টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ৯৪। ভারতের পর রয়েছে,  সিয়ারা লিওন, রোয়ান্ডা এবং নাইজেরিয়া।   

    মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে যেকোনও বিষয়ে নিশানা করেছে পাকিস্থানকে। অথচ সেই পাকিস্তানও এবার পিছনে ফেলে দিল ভারতকে। আর এমন একটা বিষয়ে যা,  যেকোনও দেশের পক্ষেই অত্যন্ত জরুরি। কেন জরুরি তা ক্ষুধা সূচক কিভাবে নির্দ্ধারণ করা হয় তা  জানা গেলে বোঝা যাবে।

    মূলত চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ক্ষুধা সূচক মাপা হয়।

    শিশুদের অপুষ্টি(৫বছর পর্যন্ত)

    বয়সের তুলনায় তাদের ওজন(৫ বছর পর্যন্ত)

    বয়সের তুলনায় তাদের উচ্চতা(৫ বছর পর্যন্ত)

    শিশু মৃত্যু হার(৫বছর পর্যন্ত)

    যে পরিসংখ্যান সামনে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারত ১০৭টি দেশের মধ্যে রয়েছে ৯৪তম স্থানে। আর ভারতেরই পড়শী দেশেগুলি এই বিষয়ে তার থেকে বেশ এগিয়ে রয়েছে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে-

    বাংলাদেশ-৭৫

    নেপাল-৭৩

    শ্রীলঙ্কা-৬৪

    মায়নমার-৭৭

    পাকিস্তান-৮৮

    এই চারটি বিষয়ই যে কোনও দেশের পক্ষেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হয়। অথচ এই বিষয়েই পিছিয়ে পড়েছে মোদির ভারত। বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারত  পিছিয়ে পড়ায় মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হয়েছে বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি বলেছেন, মোদির ভারতের সুফল পাচ্ছেন শুধু তাঁর বন্ধুরা। আম্বানি, আদানিরাই  এখন লাভবান হচ্ছেন। করোনার মতো ভয়াবহ ভাইরাস সংক্রমণে সারা বিশ্বেই যখন আর্থিক সংকোচন দেখা গেছে, তখনো এদেশে আকম্বানি-আদানিদের ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

    মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন সি পি এমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও। তিনি বলেন, এই ঘটনা দেশের লজ্জা। সরকারি গুদামে যে ১০ হাজার কোটি টন খাদ্য শস্য পচছে তা অভুক্তদের মধ্যে নিখরচায় বিলি করার ব্যবস্থা করুক মোদি সরকার।

    তথ্য বলছে, ভারতে এখনও ১৪ শতাংশ শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। পুষ্টিকর এবং পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাবে সঠিক বৃদ্ধি হচ্ছে না দেশের ৩৭ শতাংশ শিশুর। এই তথ্য থেকে এটা বোঝা যাচ্ছে মোদি নেতৃত্বাধীন ভারতে শিশু পুষ্টির কাজ তেমন ভাল হয় নি। বিরোধীরা বলছেন মোদির সবকা সাথের ভাষণ শুধু কথাতেই সীমাবদ্ধ । বাস্তবে তার কোনও প্রমাণ মিলছে না।