মঙ্গলবার, জানুয়ারী 26, 2021

চার তারিখ কৃষকদের সঙ্গে ফের আলোচনা
চার তারিখ কৃষকদের সঙ্গে ফের আলোচনা

চার তারিখ কৃষকদের সঙ্গে ফের আলোচনা

  • scoopypost.com - Dec 30, 2020
  • দুটি বিষয়ে প্রতিবাদী কৃষকদের সঙ্গে একমত হল সরকার। কৃষকদের সঙ্গে বুধবার ষষ্ঠ দফার আলোচনা হয় । এদিনের আলোচনায় কৃষকরা সরকারের কাছে মোট চার দফা শর্ত রেখেছিলেন । তার মধ্যে দুটি বিষয়ে সরকার একমত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    এদিন বিজ্ঞান ভবনে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর বলেন, দু পক্ষের মধ্যে দুটি বিষয়ে মিল হয়েছে। কৃষকদের বাকি দুটি দাবি নিয়ে আরো আলোচনা হবে। পরের আলোচনা জানুয়ারির চার তারিখ হবে বলে জানানো হয়েছে। যে দুটি বিষয়ে সরকার একমত হয় নি তার নিস্পত্তির জন্য সরকার পৃথক কমিটি গঠন করতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

    এদিন আলোচনার শুরুতে কৃষকরা সরকারের সামনে চারদফা দাবি রাখেন।

    • তিন কৃষি আইন বাতিল করতে হবে।

    • এম এস পি নিয়ে আইনি নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    • ইলেক্ট্রিসিটি বিল বাতিল করতে হবে।

    • বর্জ্য পোড়ানয় কৃষকদের ওপর থেকে জরিমানা তুলে দিতে হবে।

    কৃষকদের এই চার দফা দাবির মধ্যে সরকার ইলেক্ট্রিসিটি বিল এবং বর্জ্য পোড়ানোর জরিমানা বাতিলের দাবি দুটি মেনে নিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নরেন্দ্র সিং তোমার জানিয়েছেন, সরকার এম এস পি নিয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি আছে। কিন্তু কৃষকরা এম এস পি নিয়ে আইনি বিধান চাইছেন। কৃষি আইন বাতিলের যে দাবি কৃষকরা করেছেন, তা সরকার মানবে না বলেই জানিয়েছে। যে দুটি দাবি নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে মতের মিল হয় নি তা নিয়ে সরকার আলাদা করে কমিটি গঠন করতে পারে।

    বুধবারের আলোচনার পর কৃষকরা জানিয়েছেন পরের বৈঠকে নয়া কৃষি আইনের কী পরিনাম হতে চলেছে তার প্রমাণ দেবেন। তাঁরা বলেন দুটি ঘটনা তাঁদের নজরে এসেছে। দুটিই ঘটেছে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশে। মধ্যপ্রদেশে এক কর্পোরেট সংস্থা কৃষকদের দু কোটি টাকার চেক দিয়েছিল সেই চেক বাউন্স করেছে। এরপর কৃষকরা আর সেই সংস্থার নাগাল পাচ্ছেন না। নয়া কৃষি আইন জারির পর উত্তরপ্রদেশে কৃষকরা ন্যূনতম দাম পাচ্ছেন না। চালের দাম পড়ে গিয়েছে। কৃষকরা বাধ্য হচ্ছেন কম দামে নিজেদের ফসল বিক্রি করে দিতে।

    এদিন সরকার কৃষকদের অবস্থান তুলে নিতে অনুরোধ করেন। প্রবল ঠন্ডার কারণে অন্তত বয়স্ক, মহিলা এবং শিশুদের ফেরত পাঠাবার অনুরোধ করে। কৃষকরা তাতে রাজি হয় নি। তবে বুধবারের আলোচনার প্রেক্ষিতে তাঁরা বৃহস্পতিবারের ট্র্যাক্টর মিছিল কর্মসূচি বাতিল করেছেন।

    এদিকে পাঞ্জাবে কৃষকরা প্রায় ১৬০০ জিও টাওয়ার ভেঙ্গে দেয় বলে খবর। তার জেরে জিও কর্তৃপক্ষ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিং এর কাছে চিঠি লিখে নিরাপত্তা চেয়েছে।

    সিংঘু সীমান্তে কৃষক আন্দোলনের প্রভাব পড়ল হরিয়ানার স্থানীয় নির্বাচনে। এখানকার পুরসভা নির্বাচনে সাতটির মধ্যে পাঁচটিতেই হেরে গিয়েছে বিজেপি।  সোনপতের মেয়র পদ জিতে নিয়েছে কংগ্রেস। আম্বালাতেও হেরে গিয়েছে বিজেপি।  

     

    .