মঙ্গলবার, নভেম্বর 24, 2020

নয়া বিধি বিসর্জনে, পথ দেখাবে শহরতলির জলাশয়
নয়া বিধি বিসর্জনে, পথ দেখাবে শহরতলির জলাশয়

নয়া বিধি বিসর্জনে, পথ দেখাবে শহরতলির জলাশয়

  • scoopypost.com - Oct 22, 2020
  • নিউ নর্মালে দুর্গাপুজোয় যেমন বিধিনিষেধ, তেমনই বিসর্জনেও নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রীয় সংস্থা ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গার।গঙ্গা বা তার নদীতে প্রতিমা নিরঞ্জনে কড়াকড়ি করল NMCG.

    তবে নির্দেশিকা শেষমুহূর্তে আসায় গঙ্গা বা তার শাখা নদীতে একেবারে বিসর্জন বন্ধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু করোনা কালে পরিস্থিতি বিবেচনা করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সঙ্গে আলোচনায় বিসর্জনের নয়া ঠিকানা বের করছে রাজ্য প্রশাসন।উত্তর কলকাতার দু’টি জলাশয় এ জন্য বাছা হয়েছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ করে যাতে সেখানে প্রতিমা নিরঞ্জন করা যায় সে ব্যাপারে জোর কদমে শুরু হয়েছে প্রস্তুতিও।

    দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীতে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। তারপর হাইকোর্টের মণ্ডপে ঢোকার নিষেধাজ্ঞায় ভিড় একটু হলেও নিয়ন্ত্রণে। চিকিত্সক থেকে সচেতন নাগরিক সেটাই চাইছেন। কেরলে যেমন ওনামের পর করোনা সংক্রমণ লাগামছাড়া হয়েছে এ রাজ্যে দুর্গাপুজো শেষে তেমনটা না হোক।

    বাংলার সবচেয়ে বড় উত্সব দুর্গাপুজো। সেটাই এবার নমো নমো করে হচ্ছে।প্রতিমা নিরঞ্জনেও যাতে সতর্কতা বজায় থাকে সে চেষ্টা চলছে। সে কারণে, উত্তর শহরতলিতে লেকটাউনের দেবীঘাট ও দমদম পার্কের চার নম্বর ট্যাঙ্কে ঠাকুর ভাসানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গাপুজো শেষে রয়েছে লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো, ছট। সেক্ষেত্রেও এই দু’টি জলাশয় ব্যবহার হবে।

    রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণ রুদ্র জানান, দু’টি জলাশয়েই ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গার নির্দেশ অনুযায়ী সিন্থেটিক লাইনার থাকবে।ঠাকুর ভাসানের পর সেখানে আবর্জনা জমা হবে।দ্রুত সেই নোংরা সরিয়ে ফেলা হবে। পর্ষদের আশা, অদূর ভবিষ্যতে প্রতিমা বিসর্জনে এমন ব্যবস্থা বাড়বে।এখনও পর্যন্ত নিউটাউন-কলকাতা উন্নয়ন পর্ষদ এলাকায় প্রতিমা নিরঞ্জনে সবচেয়ে বেশি ভালো ব্যবস্থা রয়েছে।

    পাশাপাশি দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে চালু করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। রাজ্যের অন্য পুকুরেও যাতে নিয়ম মেনে প্রতিমা বিসর্জন হয় সে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।২০১৮ সালের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় ফুল, বেলপাতা, অলঙ্কার ফেলা যায় না।কাঠামোও দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হয়।