মঙ্গলবার, নভেম্বর 24, 2020

লকডাউনে ইএমআই দাতাদের ক‍্যাশব‍্যাক
লকডাউনে ইএমআই দাতাদের ক‍্যাশব‍্যাক

লকডাউনে ইএমআই দাতাদের ক‍্যাশব‍্যাক

  • scoopypost.com - Oct 24, 2020
  • লকডাউনেও ঋণের মাসিক কিস্তি বা ইএমআই পরিশোধকারী ব‍্যক্তি বা সংস্থাকে দিপাবলীর উপহার দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পরিশোধকারী ওই ব‍্যক্তি বা সংস্থা সংশ্লিষ্ট ঋণদাতা ব‍্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এককালীন অনুদান বা এক্সগ্রাসিয়া হিসেবে ক‍্যাশব‍্যাক পাবে। ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্টে এক্সগ্রাসিয়ার অর্থরাশি জমা পড়বে। অর্থমন্ত্রকের তরফে রিজার্ভ ব‍্যাঙ্ক নিয়ন্ত্রিত সমস্ত ব‍্যাঙ্ক, সমবায় ব‍্যাঙ্ক, হাউসিং ফাইন্যান্স ও মাইক্রো ফাইন্যান্স সংস্থাগুলিকে লিখিতভাবে জানানো হয়, সরকার এক্সগ্রাসিয়া প্রকল্প অনুমোদন করায়, ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্টে ক‍্যাশব‍্যাক করতে হবে ঋণদাতা ব‍্যাঙ্ক বা সংস্থাকে।
    লকডাউন ঘোষণার পর কেন্দ্রীয় সরকার মার্চ মাস থেকে সমস্ত ঋণের মাসিক কিস্তি মেটানোর ক্ষেত্রে ৬ মাস মোরাটোরিয়াম বা সাময়িক ছাড় ঘোষণা করে। কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী ঋণদাতা ব‍্যাঙ্ক বা আর্থিক সংস্থাগুলি স্বাভাবিকভাবেই মাসিক কিস্তি আদায়ে ঋণগ্রহীতাদের উপর কোনও চাপ দেয়নি। জটিলতা দেখা দেয় অগস্টে মোরাটোরিয়ামের মেয়াদ শেষ হলে। ঋণদাতা ব‍্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যৌগিক সুদ অর্থাৎ সুদের উপর সুদ কষে তা আদায় করতে গেলে তা নিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানায়, চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে ৩১ অগস্ট সময়কালে ঋণগ্রহীতারা ঋণের মাসিক কিস্তি না মেটানোর কারণে সরল সুদের রাশির সঙ্গে সুদের উপর জমা সুদের রাশির যে ফারাক সেই পরিমাণ অর্থরাশি ঋণদাতাদের মিটিয়ে দেবে ব‍্যাঙ্ক। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা কেবলমাত্র ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণগ্রহণকারীরাই পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকার ঋণদাতা ব‍্যাঙ্ক বা সংস্থাকে স‍রল সুদের সঙ্গে যৌগিক সুদের ফারাকের অর্থাঙ্ক মিটিয়ে দেবে। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী এরজন্য প্রায় ৬৫০০ কোটি টাকা কেন্দ্রকে বহন করতে হবে।
    মোরাটোরিয়াম পর্যায়েও মাসিক কিস্তি পরিশোধকারীরাও একইভাবে ওই অনুদান রাশি ক‍্যাশব‍্যাক পাবেন। এমনকী চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণগ্রহণকারী ব‍্যবসায়ী নিয়মিত মাসিক কিস্তি দিলে যদি দেখা যায় সংশ্লিষ্ট ব‍্যক্তি বা ব‍্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে যৌগিক হারে সুদ দিতে হয়, তাহলেও এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে।

এছাড়াও পড়ুন: লকডাউন ব্যাংক ঋণ ই এম আই