বুধবার, নভেম্বর 25, 2020

ভ্যাকসিন নিয়ে সতর্ক করলেন হু এর প্রধান
ভ্যাকসিন নিয়ে সতর্ক করলেন হু এর প্রধান

ভ্যাকসিন নিয়ে সতর্ক করলেন হু এর প্রধান

  • scoopypost.com - Oct 26, 2020
  • সব দেশই চাইবে তাদের নাগরিককে আগে বাঁচাতে। এই মতবাদের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ব কোভিড ভ্যাকসিনের সরবরাহ নির্ভর করলে বিপদ আরও বাড়বে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু এর প্রধান তেদরস অ্যাধানম গ্যাব্রিয়াস বিশ্ববাসীকে এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। রবিবার তিনি কোভিড ভ্যাকসিন সরবরাহে ঐক্যমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন এটা করা না গেলে এই অতিমারি সারা বিশ্বেই আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে। ভ্যাকসিনের জাতীয়তাবাদ এই অতিমারিকে শুধু দীর্ঘায়িত করবে , তাকে স্বল্পস্থায়ী করবে না। তেদরস বার্লিনে আয়োজিত তিন দিনের বিশ্ব স্বাস্থ্য সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন।

    সারা বিশ্বেই এখনও বেড়েই চলেছে কোভিড সংক্রমণ। ইউরোপের কয়েকটি দেশে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এই বিশ্ব স্বাস্থ্য সামিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিহস্বকে কোভিড মুক্তির পথ দেখাতে দিক নির্দেশ করতে পারে এই সামিট। তেদরস বলেন, এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক যে প্রত্যেক দেশই চাইবে তার নাগরিকদের আগে ভ্যাকসিন দিতে। এর মধ্যে কোনও দোষের কিছু নেই। তবে এর সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে যে এই ব্যবস্থা অতিমারিকে দীর্ঘস্থায়ীই করবে তার স্থায়িত্ব কমাবে না। তিনি বলেন কোভিড থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে ভাল রাস্ত হল, কিছু দেশের সব মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার বদলে সব দেশের কিছু মানুষকে প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়া। তিনি বলেন কোভিড মুক্তির সেরা রাস্তা হল সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ থাকা। একই সঙ্গে এটা নিশ্চিত করে যে গরিব দেশও যেন ভ্যাকসিন পায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই মন্তব্য করেছেন। সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত তথযে দেখা যাচ্ছে শনিবারে সারা বিশ্বে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা ৪৬৫, ৩১৯। এর অর্দ্ধেকই ইউরোপে।

    সারা বিশ্ব জুড়েই এখন কোভিদ ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে জোর কদমে। এর মধ্যে দশটি দেশে তা রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে।  এই দশটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল এখন রয়েছে তৃতীয় পর্যায়ে। বিশ্বের  বেশ কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবককে এই তৃতীয় পর্যায়ের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে শুধু হু প্রধানই নন, রাষ্ট্রসংঘের ্মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরস বলেছেন, ভ্যাকসিন বিশ্ব মানবের সম্পত্তি হওয়া উচিত। ভ্যাকসিন টেস্ট, থেরাপি আসলে সমাজ রক্ষক, জীবনদায়ী, অর্থনীতি রক্ষক। এই মুহূর্তে তাই এই ভ্যাকসিন নিয়ে ঐক্যমত গড়ে তোলা দরকার।