বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 21, 2021

আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন
আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

  • scoopypost.com - Nov 03, 2020
  • আজ মঙ্গলবার আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।ভারতীয় সময় বেলা সাড়ে চারটে থেকে শুরু হবে ভোট। ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যাবে গণনা। যে প্রদেশে যখন ভোট শেষ হবে সেই সময়ই সেখানে শুরু হবে ভোট গোনার কাজ। ইতিমধ্যে ৯৮ মিলিয়ন আমেরিকান তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এঁদের বেশিরভাগই ই-মেলে ভোট দিয়েছেন। এই ই মেল ভোটিং নিয়ে আবার হুমকি দিয়ে রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।    

    আমেরিকা শুধু নয় সারা বিশ্বেরই নজর এখন আমেরিকার দিকে। কে নেবেন হোয়াইট হাউসের দখল? ডোনাল্ড ট্রাম্পই কি ফের একবার প্রেসিডেন্টের আসনে বসবেন নাকি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেট জো বাইডেন দখল নেবেন হোয়াট হাউসের। বিভিন্ন সমীক্ষা বেশ কিছুটা এগিয়ে রেখেছে জো বাইডেন-কমলা হ্যারিস জুটিকে। তবে একেবারে হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। শেষ মুহূর্তেও খেলা ঘিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন তিনি। এমনকি হেরে গেলে কী করবেন তাও ছকে ফেলেছেন । ট্রাম্প বলেছেন, ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর ই মেলে্র ভোট গোনা একটা ভয়ঙ্কর ব্যাপার। এই বিষয়ে কী আইনি  পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে ট্রাম্প আইনজীবীদের পরামর্শ নিয়ে রাখছেন। মার্কিন মুলুকে দু ভাবে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। এক সরাসরি গিয়ে ভোট দেওয়া আর দুই ই মেলে ভোট দেওয়া। প্রথমে গোনা হবে সরাসরি যাঁরা ভোট দিয়েছেন তাঁদের ভোট। আর এই নিয়েই প্রশ্ন তুলছে ট্রাম্প শিবির। তারা বলছে ভোট মিটে যাওয়ার পর ই মেলের ভোট গোনা ভয়ঙ্কর ব্যাপার।   

    এ বারের মার্কিন ভোট একেবারে অন্য আবহে হচ্ছে।করোনার জেরে একেবারে নাজেহাল আমেরিকা। মোট সংক্রমণ এবং মৃত্যু সবেতেই প্রথম সারিতে আমেরিকা। আর ঠিক এই কারণেই তিনি সবচেয়ে বেশি সমালোচিত। তাঁর বিরোধী ডেমোক্রেটরা আমেরিকার মাত্রাতিরিক্ত কোভিড সংক্রমণের জন্য ট্রাম্পের নীতি এবং আচরণকেই দায়ি করেছেন। তাঁর বলছেন প্রথম থেকে যদি ট্রাম্প কোভিডকে গুরুত্ব দিতেন তাহলে আমেরিকায় এই অবস্থা হত না। এর পাশাপাশি  ট্রাম্পের  নারী এবং বর্ণ বিদ্বেষ মুলক মন্তব্য তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছে। এত সব নেতিবাচক দিক থাকলেও সবাই বলছেন না আচাঁলে বিশ্বাস নেই ।

    ২০১৬তেও হিলারি ক্লিন্টন ট্রাম্পের চেয়ে প্রায় ৩০ লাখ ভোট বেশি পেয়েছিলেন। কিন্তু  ইলেক্ট্ররাল কলেজের ভোট বেশি পান ট্রাম্প। আর এই ইলেক্ট্ররাল কলেজের ভোটেই নির্বাচিত হন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। মোট ৫৩৮ টি ইলেক্ট্ররাল ভোটের মধ্যে প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য  কম করে ২৭০ বা তার বেশি ইলেক্ট্ররাল ভোট পেতে হবে। ২০১৬ তে ট্রাম্প পেয়েছিলেন ৩০৬টি এবং হিলারি ক্লিন্টন পেয়েছিলেন ২৩২টি ইলেক্ট্ররাল ভোট। যদিও শতাংশের হিসেবে হিলারির ঝুলিতে ছিল ৪৮.২ এবং ট্রাম্প পেয়েছিলেন ৪৬.১ শতাংশ ভোট। তাই সমীক্ষার ওপর নির্ভর না করে চূড়ান্ত ভোট গণনার জন্য অপেক্ষা দুই শিবিরের।