মঙ্গলবার, জানুয়ারী 26, 2021

জরুরি ভিত্তিতে তাদের ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি চাইবে সিরাম
জরুরি ভিত্তিতে তাদের ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি চাইবে সিরাম

জরুরি ভিত্তিতে তাদের ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি চাইবে সিরাম

  • scoopypost.com - Nov 29, 2020
  • আগামি দু সপ্তাহের মধ্যেই সরকারের কাছে তাদের ভ্যাকসিন জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমতি চাইবে সিরাম। শনিবার প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনার পর এ কথা জানিয়েছেন সিরাম সংস্থার প্রধান আদর পুনাওয়ালা। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনকার সঙ্গে যৌথ ভাবে করোনা ভ্যাকসিন প্রস্তুত করছে সিরাম ।

    সিরাম কর্ণধার আদর পুণাওয়ালা জানিয়েছেন এতদিন পর্যন্ত  সরকারের সঙ্গে এই ভ্যাকসিনের ডোজ নিয়ে লিখিত ভাবে কোনও কথা হয়নি। তবে যা ইঙ্গিত পাওয়া গেছে তা থেকে মনে হয় সরকার আগামি জুন-জুলাইয়ের মধ্যে ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন নিতে পারে। আগামি দু সপ্তাহের মধ্যে আমরা জরুরি ব্যবহারের লাইসেন্সের অনুমতি চাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গতকালই দেশের তিন বড় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারি সংস্থা পরিদর্শন করেন। জাইডুস ক্যাডিলা, সিরাম ইন্সস্টিটিউট এবং ভারত বায়োটেকের ভ্যাকসিন প্রস্তুতি তিনি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, তিনি নিজের চোখে ভ্যাকসিন প্রস্তুতি নিয়ে তিন সংস্থার কাজ কতটা এগিয়েছে সে বিষয়ে অবগত হওয়ার জন্যই পরিদর্শন করেন। সিরাম সংস্থা পরিদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী এই নিয়ে টুইট করেন। তিনি বলেন, সিরাম সংস্থার সঙ্গে ভাল আলোচনা হয়েছে। তাঁদের বিজ্ঞানীরা কাজের বিষয়ে সব কিছু জানিয়েছেন। তাঁদের ভ্যাকসিন উৎপাদনের পদ্ধতিও দেখিয়েছেন।তাঁদের পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়েও কথা হয়েছে।

    এদিকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনকার ভ্যাকসিন ট্রায়ালে খারাপ ফল নিয়ে যে সব খবর এসেছে তা নিয়েও এদিন মুখ খুলেছেন আদর পুণাওয়ালা।তিনি বলেন এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা খুবই ভাল এবং নির্ভরযোগ্য। এখন তাঁরা বিশ্বব্যাপী ১৮ বছরের কম বয়সীদের ওপর ট্রায়াল শুরু করবেন। পুণাওয়ালার দাবি তাঁদের ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর দেখা গেছে যাঁরা ইতিমধ্যেই সংক্রামিত হয়েছেন তাঁদের আর হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে না। এমনকি তাঁদের থেকে অন্য কারুর সংক্রমণের ভয়ও থাকছে না।

    আদর পূণাওয়ালা জানিয়েছেন, এখন তাঁরা মাসে ৫০ থেকে ৬০ মিলিয়ন ডোজ তৈরি করেন। জানুয়ারির পর থেকে সেই উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে ১০০ মিলিয়ন করা হবে।