বুধবার, নভেম্বর 25, 2020

স্মার্টফোনেই মিলবে ভূমিকম্পের অ্যালার্ট!
স্মার্টফোনেই মিলবে ভূমিকম্পের অ্যালার্ট!

স্মার্টফোনেই মিলবে ভূমিকম্পের অ্যালার্ট!

  • scoopypost.com - Aug 12, 2020
  • ভূমিকম্প এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যা অনায়াসেই কয়েক লহমায় ওলটপালট করে দিতে পারে সবকিছু। প্রাণহানি থেকে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতিও হয় ভূকম্পনের ফলে। বিজ্ঞানের অগ্রগতি যতই হোক, যতই নিত্যনতুন গ্যাজেট, প্রযুক্তি আসুক, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া এখনও পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। কিন্তু গুগলের দাবি, তারা স্মার্টফোনের জন্যে এমন একটি ফিচার বানিয়েছে, যাতে মানুষ ফোনের মাধ্যমেই ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা পেতে পারবেন। শুনতে অবাক লাগলেও গুগলের দাবি নিয়ে হইচই পড়ে গেছে গোটা বিশ্বে। 

    গুগলের তরফ থেকে মঙ্গলবার এমনই এক খবর সামনে আসে। বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল জানিয়েছে, ভূমিকম্প হওয়ার আগেই সেই এলাকার স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা তাঁদের ফোনেই এক নোটিফিকেশন পাবেন। এর ফলে তাঁরা ভূমিকম্পের আগেই সতর্ক হয়ে যাবেন। ফলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদ জায়গায় চলে যেতে পারবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই নাকি ক্যালিফোর্নিয়াতে চালু হয়ে গিয়েছে এই ফিচারটি। তবে শীঘ্রই ভারত সহ গোটা বিশ্বে আসতে চলেছে গুগলের এই 'আর্থকোয়েক ডিটেকশন' ফিচার।

    গুগলের দাবি, এই ফিচারটির জন্যে সহযোগিতা করেছে ইউনাইটেড স্টেট জিওলজিকাল সার্ভে এবং ক্যালিফোর্নিয়া গভর্নর্স এমারজেন্সি সার্ভিস অফিসের বিজ্ঞানীরা। গুগল অ্যান্ড্রয়েড এর প্রধান সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মার্ক স্টোগাইটিস জানিয়েছেন, আমেরিকার এই দুই নামকরা বৈজ্ঞানিক সার্ভে সংস্থার সঙ্গে মিলে এমন অবিশ্বাস্য কাজকে সম্ভব করতে সমর্থ হয়েছে গুগল। আসলে এই সংস্থা আগাম ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা পাঠাবে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ফোনে। এর ফলে স্মার্টফোনই এবার মিনি ভূমিকম্প ডিটেক্টর হয়ে উঠবে। এছাড়াও কিভাবে এই ভয়ানক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়তে সেটাও জানিয়ে দেবে গুগল।

    তবে এখন গুগলের এই অবিশ্বাস্য নতুন ফিচার নিয়ে ভূবিজ্ঞানীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠছে। তাঁদের প্রশ্ন ভূমিকম্পের ভবিষ্যৎবানী কেউ-ই একজন পর্যন্ত করতে পারেনি। এমনকী 'ইউনাইটেড স্টেট জিওলজিকাল সার্ভে' অথবা অন্যান্য বিজ্ঞানীরাও না। ইউনাইটেড স্টেট জিওলজিকাল সার্ভে অর্থাৎ ইউএসজিএস এর বিজ্ঞানীরা শুধুমাত্র বছরে কতবার ভূমিকম্প হবে তা গণনা করতে পারে। তাই স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা আগাম ভূমিকম্পের অ্যালার্ট পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে কিছুটাই অবিশ্বাসই ধরা পড়েছে ভূবিজ্ঞানী মহলে।