বুধবার, নভেম্বর 25, 2020

কচুপাতা চিংড়ি হোক এবার আপনার হেঁসেলেই
কচুপাতা চিংড়ি হোক এবার আপনার হেঁসেলেই

কচুপাতা চিংড়ি হোক এবার আপনার হেঁসেলেই

  • scoopypost.com - Oct 12, 2020
  • সৌনকের সঙ্গে বাঙালি রেস্তোরাঁয় গিয়েছিল তিন্নি। মেনুতে সরু চালের গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে ছিল কচুপাতা চিংড়ি। মুখে দিতেই তিন্নির মনে হল অমৃত। চিংড়ির মালাইকারি, ভেটকির পাতুড়ি বাদ দিয়ে কচুপাতা চিংড়ির প্রেমে রীতিমতো হাবুডুবু তিন্নি।মা-দিদিমাদের আমলে এসব রান্না হত। চাইনিজ, লেবানিজ, মোগলাই খানায় অভ্যস্থ তিন্নির মনে হল, এ স্বাদের ভাগ যখন হবে না তবে তো তার খোঁজ করতেই হবে।

    কলকাতার নামী ব্র্যান্ডের রেস্তোরাঁর এখন অন্যতম ইউএসপি কচুপাতা চিংড়ি। চাইলে এটা বাড়িতেও রাঁধতে পারেন। তিন্নি খুঁজে বের করেছে সেই রেসিপি। স্কুপিপোস্টের তরফে রইল তারই হদিশ।

     লাগবে- দুধকচু পাতা, নারকেল, সরষে ও পোস্ত বাটা, কাঁচা লঙ্কা, সরষের তেল, নুন, চিনি, হলুদ, পেঁয়াজ

    কী করে রাঁধবেন- প্রথমেই দুধ কচু পাতা ছোট ছোট করে কেটে জলে ধুয়ে নিন। তারপর সামান্য ভিনিগার ও নুন দিয়ে ভাপিয়ে জল ঝরিয়ে বেটে নিন।এদিকে রেডি রাখুন সাদা ও কালো সরষে লঙ্কা দিয়ে বাটা। নারকেল ও পোস্ত বাটা।

    কড়াইতে সরষের তেল দিয়ে কুঁচনো পেঁয়াজের সঙ্গে মাঝারি মাপের চিংড়ি নুন ও হলুদ মাখিয়ে ভেজে নিন। তাতে দিয়ে দিন স্বাদমতো হলুদ গুঁড়ো। তারপর একে একে নারেকল, পোস্ত ও সরষে বাটা দিয়ে নাড়িয়ে নিন। তারপর কচুপাতা বাটা দিয়ে হাল্কা আঁচে কষাতে থাকুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে দিয়েদিন মাপ মতো গরম জল। একটু নাড়িয়ে মিডিয়াম আঁচে দশ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন। জল মরে গেলে স্বাদমতো নুন ও চিনি দিয়ে কষিয়ে নিন। চিংড়ি, কচুপাতা মিলেমিশে এক হয়ে ঘন হয়ে এলে তিন-চার চা–চামচ সরষের তেল দিয়ে নামিয়ে নিন।

    কচুপাতা এই রান্নার অন্যতম প্রধান উপকরণ। তারসঙ্গে ভালো চিংড়ি দরকার। আর অবশ্যই ভাতের পাতে সরষে থেকে সরষের তেলের ঝাঁঝ পেতেই হবে।এভাবে রান্না করে আপনি না-হয় ছেলে-মেয়েকে মনে করিয়ে দিন হারিয়ে যাওয়া রান্নার স্বাদ।