শনিবার, অক্টোবর 31, 2020

চুমু চরিত
চুমু চরিত

চুমু চরিত

  • scoopypost.com - Jan 08, 2020
  • প্রেমের সম্পর্কের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল চুমু বা কিস।অনেক সময় যে কথা মুখে বলা যায় না সেটা চুমুর মাধ্যমে সহজেই প্রকাশ হয়ে যায়।তবে চুমুর আছে বিভিন্ন ধরন। অনেক সময় স্নেহের বশে চুমু।অর্থাৎ ছোটোদেরকে বড়োদের চুমু।তবে চুমুর সংজ্ঞা দিতে গেলে প্রেমিক প্রেমিকার চুমুর কথাই আগে মাথায় আসে।এখন জেনে নেওয়া যাক চুমু কত ধরনের।

    সিঙ্গল লিপ কিসঃপ্রেমিক প্রেমিকা বা স্বামী স্ত্রীর প্রেমের গভীরতা বাড়তেই এধরনের কিসে আগ্রহী হন।এক্ষেত্রে একজন অন্যজনের লিপের নিচের পার্টটি নিজের ঠোঁটের মাঝে নিয়ে কিস করতে থাকে।

    ফ্রেঞ্চ কিসঃ সাধারণত ঠোঁট দিয়েই কিস করা হয়।তবে এই চুমুতে জিভের ব্যবহারই প্রধান।এক্ষেত্রে একজনের জিভ অপর জনের জিভ স্পর্শ করে।তারপর একে অপরের জিভের মধ্যে ঘোরাতে থাকে।এই ধরনের চুমুতে পারদর্শী হতে বেশ কয়েক বছর সময় লেগে যায়।দুজনের রোম্যান্টিক মুহূর্তে এধরনের কিস হয়ে থাকে।প্রথম ফ্রান্স থেকে এই চুমুর প্রচলন আসে।

    এস্কিমো কিস

    নাম শুনে অজানা মনে হলেও এই ধরনের কিস বেশ সুন্দর।এই কিস এস্কিমোদের জীবনী নিয়ে বানানো তথ্যচিত্র থেকে এসেছে।এই কিসে দুজন কিছু সময় ধরে একে অপরের নাকে নাক ঘষে আদর করে।

    বাটারফ্লাই কিসঃএকটু অন্য ধরনের কিসের অভিজ্ঞতা।এই ধরনের কিসে একজনের চোখের পাতা অপর জনের চোখের পাতায় স্পর্শ করে।এভাবে একে অপরের প্রতি প্রেমের প্রকাশ করেন প্রেমিক প্রেমিকা।

    ম্যারাথন কিসঃ শুনতে হাস্যকর লাগলেও গভীর প্রেমের ক্ষেত্রে এধরনের কিস করেন প্রেমিক প্রেমিকারা।এক্ষেত্রে একবার চুমু খেতে শুরু করলে তা থামতেই চায় না।এমনকী সময়ের খেয়ালও থাকে না।

    লিঙ্গারিং কিসঃএধরনের কিসে মুখ বন্ধ রেখে একজনের ঠোঁট অন্যজনের ঠোঁটে স্পর্শ করে নিজেদের আবেগ প্রকাশ করেন।এক্ষেত্রে জিভের কোনও ব্যবহার থাকে না।

     কপালে চুমুঃ এমনিতে স্নেহভরে সন্তানদের তাদের বাবা মা এধরনের চুমু খেয়ে থাকে।প্রেমের শুরুর দিকেও প্রেমিক প্রেমিকারাও এধরনের কিস করে করেন,তাদের পছন্দের মানুষটিকে।একে স্টার্টার কিসও বলা হয়।

    গালে চুমুঃএক জনের গাল অন্যজনের গালে স্পর্শ করে কিস করে প্রেমিক প্রেমিকা।অনেক সময় মায়েরাও তাঁর সন্তানকে গালে চুমু খেয়ে থাকেন।ইউরোপে এধরনের চুমু খাওয়ার রীতি ছিল।  

    হাতে চুমুঃহাতের তালু উলটে চুমু খাওয়ার রেওয়াজ ইউরোপ থেকে আসে। সম্মান ও সৌজন্য দেখানোর জন্য এধরনের কিসের রীতি ছিল ইউরোপে।

    আইসি কিসঃএক্ষেত্রে দুজনের ঠোঁটের মধ্যে একটি আইস কিউব নিয়ে।সেটি একজনের ঠোঁট থেকে অপর জনের ঠোঁটের মধ্যে দেওয়া নেওয়া করে।এর ফলে দুজনের মধ্যে একটা ঠাণ্ডা শিহরণ জাগে।পাশাপাশি বাড়ে তাদের প্রেমও ।      

    জুসি কিসঃএক্ষেত্রে আইসের বদলে কোনও জুসি ফল দুজনের ঠোঁটের মধ্যে নেয়।সেই ফ্রুটের জুস একটু একটু করে মুখের মধ্যে যায়। ফলের রসের স্বাদের সঙ্গে রসালো হয়ে ওঠে প্রেম ।

    ইয়ারলোব কিসিং

    নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে কানের লতিতে চুমুর কথা বলা হচ্ছে।কানের এই অংশে স্নায়ু থাকে। ফলে কানে চুমু খেলে শরীর মনে শিহরণ ছড়িয়ে যায়। প্রেমের গভীরতা আরও প্রকাশ পায়। 

    স্পাইডারম্যান কিস

     হলিউডের ছবিতে স্পাইডার ম্যানকে এক বিল্ডিং থেকে অন্য বিল্ডিংয়ে ঝুলে ঝুলে যেতে দেখা গিয়েছে। দেখা গিয়েছে গার্লফ্রেন্ডকে ঝুলে ঝুলে চুম্বন করতেও। আপনি যদি পার্টনারকে অভিনব পদ্ধতিতে চুমু খেতে চান তাহলে এই পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন। স্পাইডারম্যান হয়ে শূন্যে ঝোলার চেষ্টা না করাই ভাল তবে, বিছানা থেকে ঝুলে  পড়ে চুমুর অভিনব শৈলী রপ্ত করতে পারেন। 

    অ্যাঞ্জেল কিসঃ ঘুম বা স্বপ্নের মধ্যে দেবদূতের চোখের পাতায় চুমু খাওয়ার গল্প অজানা নয়। বিদায়ের সময় চোখের পাতায় এধরনের কিস করে থাকেন কেউ কেউ।এর মাধ্যমে স্নেহ ও ভালোবাসার প্রকাশ হয়।

    ভ্যাম্পায়ার কিস

    ভ্যাম্পায়ারের রক্ত চোষার মতো করে পার্টনারের ঘাড়ে হালকা কামড়ে চুমু খাওয়াই হল ভ্যাম্পায়ার কিস। অনেকটা লাভ বাইটের মতো।গভীর প্রেমে এধরনের কিস করেন প্রেমিক প্রেমিকা।

    টিজিং কিসঃ  শুধু ঠোঁট নয়, সারা দেহে চুম্বন করাই হল টিজিং কিস। এটি বেশ আবেগপ্রবণ। 

    এয়ার কিস বা ফ্লাইয়িং কিসঃ এধরনের কিস সিনেমাতে প্রায়শই দেখা যায়।হাওয়াতে কারও উদ্দেশে হাতের তালু ঠোঁটে স্পর্শ করে উড়িয়ে দেওয়াকে এয়ার কিস অথবা ফ্লাইয়িং কিস বলে।

    লিপ গ্লস কিসঃ একজনের ঠোঁটের লিপস্টিক অপর জনের ঠোঁটে চলে যায়।এক্ষেত্রে নিজের সঙ্গীকে বারবার কিস করতে থাকে তাঁর প্রিয় সঙ্গী।

    লিভ আ মার্ক কিসঃএধরনের চুম্বনে মেয়েরা তাদের ঠোঁটে ভালো করে লিপস্টিক লাগিয়ে নেয়। তারপর সঙ্গীর ঠোঁট, মু্‌খ, কপাল থেকে শুরু করে সারা শরীরে চুমু খেয়ে ঠোঁটের ছাপ ফেলে। এ ধরনের কিস বেশ মজাদার।

    সিডাক্টিভ কিসঃফ্রেঞ্চ কিসের মতোই।তবে এই কিসে জিভের ব্যবহার নেই। কাউকে মোহিত করে তুলতে মুখ দিয়েই একে অপরকে বারবার কিস করে ।এক্ষেত্রে দুজনের হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়।