শুক্রবার, নভেম্বর 27, 2020

শীতে স্নানে ‘না’ ! খুব ভুল করছেন আপনি
শীতে স্নানে ‘না’ ! খুব ভুল করছেন আপনি

শীতে স্নানে ‘না’ ! খুব ভুল করছেন আপনি

  • scoopypost.com - Nov 09, 2020
  • সন্ধে হলেই হিমেল হাওয়া। ভোরে উঠে পাখা বন্ধ করতে হচ্ছে।শুরু হয়েছে শীতের ট্রেলার। আর তাতেই অনেকে রোজের স্নানে ইতি দিচ্ছেন!অলস ও শীতকাতুরে লোকজন শীত এলেই, মাঝেমধ্যেই স্নানটা বন্ধ করে দেন। কিন্তু জানেন কি, গরমের মতোই শীতেও নিয়মিত স্নানাভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো।
    কোভিড পরিস্থিতিতে তো বটেই, এমনিতেই নিয়মিত স্নান খুব জরুরি, তা যত ঠান্ডাই হোক না কেন।


    ইষদুষ্ণ জল-একটু ঠান্ডা লাগলেই লোকে ভাবেন আজকের দিনে স্নান থাক। কিন্তু না স্নান করলে বরং তরতাজা হয় শরীরে। ঠান্ডার দিনে বা জ্বরজ্বর ভাব থাকলেও স্নান সারুন। হাল্কা গরম জলে। দেখবেন স্নানের পর কতটা তরতাজা লাগবে শীতেও।


    ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো- স্নানের সময় স্ত্রাবিং জরুরি। সাবান দিয়ে ভালো করে স্নানে একদিকে যেমন বাইরে থেকে আসা রোগের জীবাণু মরে যায়, তেমনই ত্বকের ময়লা পরিষ্কার হওয়ায় সংক্রমণের সম্ভবনা কমে। স্ক্রাবিং করলে ত্বকের ওপর জমে যাওয়া ধুলো ময়লা সরে গিয়ে রোমকূপের মুখ ফাঁকা হয়। ত্বকে থাকা ছিদ্র উন্মুক্ত হওয়ায় ত্বক ভালোভাবে শ্বাস নিতে পারে। এতে ত্বকে সংক্রমণের সম্ভবনাও কমে।


    ক্লান্তি দূর করে- সারাদিনের কাজকর্ম, অফিস বা দীর্ঘযাত্রার পর একটা হটবাথ কিন্তু শরীর তরতাজা করে দেয়। উষ্ণ জলে শরীর রিল্যাক্সড লাগে। এতে রক্তসঞ্চালন ভালো হওয়ায় শরীর ভালো থাকে।


    ক্যালোরি কমাতে- জিমের পর হট বাথ মেদ কমাতে সাহায্য করে। হট বাথে শরীরে জমা টক্সিন বেরিয়ে যায়। শরীর ঝরঝরে করে তোলে।


    ঘুমের সমস্যা কমায়- ঘুম যাদের আসতে চায় না তারা শোওয়ার আগে ইষদুষ্ণ জলে এসেনসিয়াল অয়েল মিশিয়ে স্নান করুন। তারপর দেখবেন ঘুমটা আগের চেয়ে ভালো হবে।