বুধবার, মে 12, 2021

যাদবপুরে বিজ্ঞানের আসন কমানোর প্রস্তাব
যাদবপুরে বিজ্ঞানের আসন কমানোর প্রস্তাব

যাদবপুরে বিজ্ঞানের আসন কমানোর প্রস্তাব

  • scoopypost.com - Aug 03, 2020
  • করোনা কি কেড়ে নেবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন সংখ্যাও!  আরও কত কিছু যে এই করোনা কেড়ে নেবে তা এখনও অজানা। কোভিডের মোকাবিলায় এখনও হাতে আসেনি কোনও ভ্যাকসিন। নেই নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ। আছে শুধু কিছু বিধি সম্মত সতর্কতা। চিকিৎসক থেকে ভাইরোলজিস্ট সকলেই এই বিধিগুলি মেনে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন এই বিধি মেনে চলা ছাড়া এই মুহূর্তে মানুষের হাতে আর কিছু নেই।

    চিকিৎসক ও ভাইরোলজিস্টদের বেঁধে দেওয়া এই বিধি গুলিকে সামনে রেখে এবার যাদবপুরের শিক্ষকরা বিজ্ঞান বিভাগে আসন  কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। আগামি শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান বিভাগে তাঁর এই আসন সংখ্যা কমাতে বলেছেন। অ্যাডমিশন কমিটির বৈঠকে তাঁরা এই প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন আসন সংখ্যা কমানো হলে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বিধি  মেনে চলা সম্ভব হবে। অ্যাডমিশন কমিটির এক সদস্য এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথামেটিক্স এবং জিওলজি বিভাগের শিক্ষকরা আসন কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন আসন সংখ্যা ২০১১ সাল পর্যন্ত যা ছিল তাই করা হোক।

    ফিজিক্স বিভাগে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট স্তরে ২০১১ সাল পর্যন্ত ৪৫টি আসন ছিল। গত বছর তা বাড়িয়ে ৮০ করা হয়। কেমিস্ট্রিতেও ২০১১ সাল পর্যন্ত আসন ছিল ৪৫। গত বছর তা বাড়িয়ে প্রায় ৮০ করা হয়। ম্যাথামেটিক্স বিভাগে ২০১১ সাল পর্যন্ত ৬০ জন ছাত্র ভর্তি করা হত। গত বছর তা বাড়িয়ে ১০৫ করা হয়। জিওলজিতে ছিল ৩৫ টি আসন গত বছর বেড়ে হয় ৫২।

    প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রদীপ ঘোষ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়  কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। এক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন সিট কমানোর বিষয়ে আমাদের যুক্তিগ্রাহ্য কারণ দেখাতে হবে। তাছাড়া যদি আসন একেবারে অর্ধেক করে দেওয়া হয় তাহলে সংরক্ষিত আসনে কেউ ভর্তির সুযোগ পাবে না। বেশ কয়েক বছর ধরে এই আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। যদিও শিক্ষকদের অভিযোগ উচ্চশিক্ষা দপ্তর প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো  তৈরি না করেই আসন বাড়িয়ে গেছে।  

    শিক্ষকরা বলছেন, ছাত্র সংখ্যা যদি একই রাখা হয় তাহলে ক্লাসে ও ল্যাবে তাদের জায়গা দেওয়া যাবে না। তার ফলে তাদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বাড়বে। আমরা তাদের সেই বিপদের দিকে ঠেলে দিতে পারি না।

    এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে জানিয়েছিলেন যে অগাস্ট মাসে যদি পরিস্থিতির উন্নতি হয় তাহলে সেপ্টেম্বর থেকে একদিন অন্তর ক্যাম্পাস খোলা যেতে পারে।