রবিবার, নভেম্বর 29, 2020

বিশ্বব্যাপী পুজো দেখার ওয়েবসাইটের সূচনা রাজবাড়িতে
বিশ্বব্যাপী পুজো দেখার ওয়েবসাইটের সূচনা রাজবাড়িতে

বিশ্বব্যাপী পুজো দেখার ওয়েবসাইটের সূচনা রাজবাড়িতে

  • scoopypost.com - Sep 17, 2020
  • এবার ঠাকুর দেখতে যাওয়া মানে বিপদকে আহ্বান করা। তা বলে প্রতিমার মুখ দেখা হবে না? সারা বছর এই চারটে দিনের অপেক্ষায় থাকে আম বাঙালি। এই  অতিমারির কারণে সেই আনন্দও এবার মাঠে মারা যেতে বসেছে। চিন্তা নেই এ সব সমস্যার কথা মাথায় রেখেই সূচনা হল এক ওয়েবসাইটের। নাম ‘দুর্গাফেস্ট ডট কম’।  বুধবার শোভাবাজার রাজবাড়িতে এই ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

    ওয়েবসাইট নির্মাতাদের দাবি, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুধু নিজের শহরেরই নয় সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পুজো দেখা যাবে। কলকাতার ২০০টি পুজোর সঙ্গে ইতিমধ্যে এই বিষয়ে চুক্তি হয়ে গেছে। সমস্ত পুজো উদ্যোক্তাদের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে তাঁরাও যেন তাঁদের পুজো এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সমস্ত দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন।

    এই ওয়েবসাইটে অঞ্চল ভাগ করে পুজো দেখা যাবে। এক একটি এলাকার যেমন আলাদা আলাদা পুজো থাকবে তেমনই থাকবে রাজ্যের পুজো দেখার আলাদা বিভাগ। আর বিশ্বের অন্য জায়গার পুজোর জন্যো থাকবে পৃথক ব্যবস্থা।

    এই অয়েবসাইটের সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, এবার অতিমারির কারণে বেশির ভাগ মানুষই পুজো দেখতে বাইরে বেরতে পারবেন না। সে কথা মাথায় রেখে এরা যে উদ্যোগ নিয়েছে তা এক কথায় অসাধারণ। খুবই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। এর ফলে এ শহর বা রাজ্যের মানুষই পুজোর আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন তা নয়, যাঁরা রাজ্যের বা দেশের বাইরে আছেন তাঁরাও পুজোর সঙ্গে নিজেদের একাত্ব করতে পারবেন। বাড়িতে থেকেই পুজোর আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। শশী পাঁজা বলেন, এই ওয়েবসাইট নির্মাতাদের তিনি অনুরোধ করেছেন, পুজোর বিশেষ বিশেষ আচার অনুষ্ঠানগুলি আলাদা করে রেকর্ড করার ব্যবস্থা করতে। যাতে পরে সেগুলি আবার দেখা যায়।

    ওয়েবসাইট নির্মাতারা জানাচ্ছেন, কলকাতার বড় পুজোর পাশাপাশি বনেদি বাড়ির  পুজোর এক আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। এবার সেই পুজোয় সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ থাকবে। ফলে এই পুজো দেখার জন্য এই ওয়েবসাইটে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হবে।

    ওয়েবসাইট নির্মাতারা পুজো উদ্যোক্তাদের অনুরোধ করেছেন, এবারে অতিমারির আবহে তাঁদের পুজো কেমন হচ্ছে তা আলাদা করে উল্লেখ করতে। আসলে তাঁরা চাইছেন দুর্গাপুজোর অতীতকে এই ওয়েবাসাইটের মাধ্যমে ধরে রাখতে। যাতে আগামি বিশ-পঞ্চাশ বছর পরেও আজকের এই অতিমারির সময়কার পুজোর ছবি সেদিন দেখা যায়। যেমন দেখা যাবে পঞ্চাশ বছরের আগের পুজোর ছবি।