রবিবার, নভেম্বর 29, 2020

কিছুটা স্বস্তি পুজো উদ্যোক্তাদের
কিছুটা স্বস্তি পুজো উদ্যোক্তাদের

কিছুটা স্বস্তি পুজো উদ্যোক্তাদের

  • scoopypost.com - Oct 21, 2020
  • কলকাতা হাইকোর্টে কিছুটা স্বস্তি পেলেন পুজো উদ্যোক্তারা। তবে মোটের ওপর হাইকোর্ট তাদের আগের নির্দেশই বহাল রেখেছে।বুধবার হাইকোর্ট পুজো প্যান্ডেলে ঢোকার অনুমতি কিছুটা বাড়িয়েছে। বড় পুজোর ক্ষেত্রে ৬০ জন । তবে একসঙ্গে ৪৫ জনের বেশি প্যান্ডেলে ঢুকতে পারবেন না। ছোট পুজোর ক্ষেত্রে প্যান্ডালে থাকার সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ করা হয়েছে। তবে একসঙ্গে ১৫ পনের জনের বেশি থাকতে পারবেন না। ঢাকিরা নো এন্ট্রি জোনে থাকতে পারবেন। পুজো উদ্যোক্তাদের নামের তালিকা প্রতিদিন বদল করা যাবে। রোজ সকাল আটটার মধ্যে নতুন তালিকা মণ্ডপ সামনে টাঙিয়ে দিতে হবে।

    বুধবার পুজো উদ্যক্তাদের সংগঠন ফোরাম ফর দুর্গোৎসব কমিটির রিভিউ পিটিশন শোনেন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোয়াপধ্যায়ের বেঞ্চ। অন্য এক আবেদনে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্যান্ডালের ভিতর সিঁদুর খেলার অনুমতি চান। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

    পুজো উদ্যোক্তাদের মুল দাবি অবশ্য যথারীতি এদিন খারিজ করেচ দিয়েছে  হাইকোর্ট। পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি ছিল দর্শকদের প্যান্ডালের ভিতর ঢুকতে দেওয়া হোক। আদালত সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে। ফলে পুজো উদ্যোক্তাদের মুখ ভার। প্যান্ডেলে দর্শকরাই ঢুকতে না পারলে, আর কাদের জন্য পুজো।

    এদিন হাইকোর্টে ডাক্তারদের সংগঠনও আবেদন করেছিল। আদালতের এদিনের রায়ে তাঁরা খুশি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রথিতযশা ডাক্তার থেকে শুরু করে তাঁদের একাধিক সংগঠন , বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন বার বার রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানাচ্ছে এবারের পুজো ঘরে বসেই কাটান। পুজোর আনন্দ যেন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কাটাতে না হয়, তার জন্য আগে থেকেই সাবধান হওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা। তাঁরা বলছেন কেরলের ওনাম উৎসবের পরেই সেখানে ৩২ শতাংশ কোভিড সংক্রমণ বেড়েছে। এবারের পুজোর  ভিড়ে যদি রাশ টানা না যায় তাহলে আগামিদিনে হাসপাতালে জায়গা দেওয়ার অবস্থা থাকবে না। এর পাশাপাশি দীর্ঘ প্রায় আট মাস ধরে রাজ্যের ডাক্তার, নার্স এবং চিকিৎসাকর্মীরা কোভিডের সঙ্গে একটানা লড়াই করে ক্লান্ত। তাই পুজোর পরে যদি কোভিড সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বাড়ে তাহলে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার মতো লোকবল পাওয়া যাবে না। তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।