রবিবার, নভেম্বর 29, 2020

সল্টলেকে ফিবার ক্লিনিক
সল্টলেকে ফিবার ক্লিনিক

সল্টলেকে ফিবার ক্লিনিক

  • scoopypost.com - Oct 12, 2020
  • ক্রমশ বেড়েই চলেছে কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা। সল্টলেকে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে বিধাননগর পুরসভা বিভিন্ন জায়গায় ফিবার ক্লিনিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ক্লিনিক থেকে বিনামূল্যে ওষুধ এবং ডাক্তারের পরামর্শ দেওয়া হবে। বিধাননগরের ৪১ ওয়ার্ডেই এই ক্লিনিক গড়ে তোলা হবে। সল্টলেকের লাগোয়া কইখালি, রাজারহাট, তেঘড়িয়া, বাগুইআটি এলাকাতেও এই ধরণের ক্লিনিক করা হবে।  

    দত্তাবাদ, কইখালি,চিনারপার্ক এবং তেঘড়িয়া এলাকায় কোভিডের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। এই এলাকার মানুষ এইসব ক্লিনিক থেকে বিনামূল্যে ওষুধ এবং ডাক্তার দেখাতেও পারবেন। ডাক্তাররা কোভিড পরীক্ষা করাতে বললে পুরসভার কেন্দ্র থেকেই কোভিড পরীক্ষা করা হবে। এই মুহূর্তে বিধাননগর পুরসভা দুটি কোভিড পরীক্ষা কেন্দ্র চালাচ্ছে। একটি সল্টলেকে এবং অপরটি রাজারহাটে।

    সল্টলেকে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও কোভিডে সংক্রামিত হয়েছেন। তৃণমূলের দাপুটে নেতা এবং মন্ত্রী সুজিত বসুও কোভিড সংক্রমণের শিকার হয়েছিলেন।  

    শুধু সল্টলেকই নয় সারা রাজ্যেই কোভিডের সংক্রমণ বাড়ছে। পুজোর কেনাকাটায় যে ভাবে মানুষের ঢল নেমেছে তাতে প্রমাদ গুণছেন চিকিৎসকরা। তাঁর বলছেন কেনাকাটাতেই যদি এই হয় তাহলে পুজোর সময় না জানি কী হবে? পুজোয় যদি মানুষের ঢল রোখা না যায় এবং তাঁরা যদি কোভিড বিধি না মানেন তাহলে ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।

    সাধারণ মানুষের কোভিড বিধি মেনে চলায় যে অনীহা দেখা যাচ্ছে তাতেই আরো চিন্তিত ডাক্তাররা। তাঁরা বলছেন সাধারণ মানুষকে বুঝতে হবে আমাদের রাজ্যেই শুধু নয় সারা দেশেই, সরকারি বা বেসরকারি চিকিৎসা পরিকাঠামোর কিছু সীমা বদ্ধতা আছে। চাইলেই রাতারাতি বেড বাড়ানো সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। যে হারে সংক্রমণ হচ্ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কোনও সরকারের পক্ষেই চিকিৎসা পরিকাঠামো বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই উৎসবের আগে মানুষকেই নিজেকে সুস্থ রাখার দায়িত্ব নিতে হবে। নতুবা কোনও ফিবার ক্লিনিকই যথেষ্ঠ নয়।