বুধবার, এপ্রিল 14, 2021

রাজ্যের ওপর আরও চাপ বাড়াতে পারে কেন্দ্র
রাজ্যের ওপর আরও চাপ বাড়াতে পারে কেন্দ্র

রাজ্যের ওপর আরও চাপ বাড়াতে পারে কেন্দ্র

  • scoopypost.com - Dec 21, 2020
  • রাজ্যের ওপর আরও চাপ বাড়াতে পারে কেন্দ্র। রাজনৈতিক মহলের মতে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে ততই রাজ্য প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। একদিকে যেমন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর রয়েছেন তেমনই, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যের চাপ তৈরি করতে পারে। শুধু তিন আই পি এসকে   ডেপুটেশনে টেনে নেওয়াতেই এই বিষয় মিটবে না। কেন্দ্রের মোদি সরকার উদ্দেশ্য এ রাজ্যে ভোটের আগে প্রশাসনের, বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসনের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া। কেন্দ্রের ডেপুটেশনের ভয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাবে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকদের ওপর চাপ তৈরি করা হতে পারে।   

    অমিত শাহ জানেন, নির্বাচন কমিশন যতই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাক না কেন , রাজ্য পুলিশের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তাই ভোট বৈতরণী পার করতে রাজ্য পুলিশের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা দরকার। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এখন থেকে পুলিশ প্রশাসনের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছে।  তিন আই পি এস অফিসারকে ডেপুটেশনে নিয়ে যাওয়া তারই অঙ্গ। রাজ্য সরকার আপত্তি জানালেও কেন্দ্র সরকার সেই আপত্তিতে আমল না দিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে এই বার্তা দিতে চাইছে আসলে তারাই আই পি এসদের বিষয়ে শেষ কথা বলবে।

    কেন্দ্রের এই মনোভাব আঁচ করতে পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয় এই বিষয়কে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টায় তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে একাধিক রাজ্য সরকার এবং দল। দিল্লির কেজরিওয়াল, তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন, এন সি পি প্রধান শরদ পাওয়ার সকলেই আই পি এস ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সূত্রের খবর রাজ্য সরকার এই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টেও যেতে পারেন।

    রাজ্য সরকার আই পি এস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে গেলে কতটা সুরাহা পাবেন তা নিয়ে আইনজীবী মহলের সন্দেহ আছে। প্রবীণ আইনজীবীদের অনেকেই মনে করেন, আই পি এস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারই শেষ কথা বলার অধিকারী । ফলে সুপ্রিম কোর্টেও রাজ্য সরকারের ভরাডুবি হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে তাই রাজনৈতিক লড়াই করতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।