শনিবার, মার্চ 06, 2021

ব্রিটেনের নয়া করোনা স্ট্রেন কলকাতায়
 ব্রিটেনের নয়া করোনা স্ট্রেন কলকাতায়

ব্রিটেনের নয়া করোনা স্ট্রেন কলকাতায়

  • scoopypost.com - Dec 30, 2020
  • সকলের উদ্বেগ বাড়িয়ে কলকাতায় এবার ব্রিটেনের করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেনের হদিশ মিলল। আক্রান্তকে মেডিক্যাল কলেজে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁকে অন্য করোনা রোগীদের সঙ্গেও রাখা হয়নি। কারণ, ভাইরাসের নতুন স্ট্রেনটির চরিত্র, বৈশিষ্ট্য এখনও অজানা।

    করোনা সংক্রমণ কিছুটা হলেও নিম্নমুখী হওয়ায় আর ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণা দ্রুত গতিতে এগনোয় সকলেই আশা করছিলেন নতুন বছরে ভালো কিছু হবে। তারই মধ্যে ব্রিটেনে করোনা ভাইরাসের নতুন শক্তিশালী একটি স্ট্রেনে বিশ্বে নতুন করে উদ্বেগ শুরু হয়। সেই উদ্বেগ সত্যি করে শুধু ভারত নয়, কলকাতাতেও নতুন স্ট্রেনটির হদিশ মিলল।

    স্বাস্থ্যকর্তার ছেলে বিশেষ কাজে ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। ফেরার পর পরীক্ষা করতেই করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। ভাইরাসের জিনোম পরীক্ষায় চিহ্নিত হয় সেটা ব্রিটেনের নতুন মিউট্যান্ট স্ট্রেন।২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর ব্রিটেন ফেরত ১১৪ জন করোনা পজিটিভের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর জন্য পাঠানো হয়েছিল বলে  কেন্দ্র জানিয়েছে। এদেশে ২০ জনের শরীরে ব্রিটেনের ওই স্ট্রেনের হদিশ মিলেছে।

    এদিকে, করোনা সংক্রমণ নিম্নগামী দেখে যখন স্বাস্থ্যবিধি পালনে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে, তখন করোনা ভাইরাসের নতুন এই স্ট্রেন নিয়ে কিন্তু চিন্তায় চিকিত্সকরা।ভ্যাকসিনেশন শুরু হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে। একবারে এত মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়াও সম্ভব নয়। তাছাড়া ভাইরাস যেভাবে নিজেকে পাল্টে ফেলছে তাও ভাবাচ্ছে ডাক্তারদের।

    ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ভিড় দেখা গিয়েছিল পার্কস্ট্রিট। সামাজিক দূরত্ববিধির তোয়াক্কা না করে মাস্ক খুলে হুল্লোড়ে মেতেছিলেন বিভিন্ন বয়সীরা। তেমনটা যাতে বর্ষবরণে না হয় রাজ্য সরকারকে তা দেখতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও স্বাস্থ্যবিধি পালনে ঢিলেঢালা মনোভাবে বেজায় চটেছেন চিকিত্সকরা। তাঁদের কথায়, প্রত্যেকবার আদালতকে আসরে নামতে হবেই বা কেন। উত্সবে স্বাস্থ্যবিধি পালন কতটা জরুরি তা যদি জনে জনে বোঝাতে হয়, তাহলে সংক্রমণ ফের বিপজ্জনক হতে পারে। তাছাড়া, ভোট আসতেই সভা-সামাবেশের নামে যেভাবে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে লোক জড়ো হচ্ছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। আপাতত ব্রিটেনের উড়ান বন্ধ। তবে তার পরেও সকলে সচেতন না হলে করোনার নোভেল স্ট্রেনে লাগাম পরানো কঠিন হবে মানছেন সকলেই।

    নতুন বছরে ভ্যাকসিন আসবে এ ব্যাপারে মোটামুটি সকলেই নিশ্চিত। প্রায় প্রতিটি দেশই ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। ভ্যাকসিন দেওয়া কবে থেকে শুরু হবে নিশ্চিত না হলেও, এ রাজ্যের সরকার ঘোষণা করল চিকিত্সক, স্বাস্থ্যকর্মী ও নার্সদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। চিকিত্সকদের মোবাইল বার্তায় জানানো হল সে কথা।এমন খবরে খুশি কোভিড যোদ্ধারা। প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধারা অগ্রাধিকার পেলেও, দ্রুত যাতে রাজ্যবাসীকে ভ্যাকসিন দেওয়া যায় তেমনটাই দেখা হচ্ছে।