রবিবার, এপ্রিল 18, 2021

প্রতিবাদী কৃষকদের পাশে কলকাতা
প্রতিবাদী কৃষকদের পাশে কলকাতা

প্রতিবাদী কৃষকদের পাশে কলকাতা

  • scoopypost.com - Nov 30, 2020
  • আলোচনার প্রস্থাব খারিজ করে দিয়েছেন কৃষকরা। এরপরেই অমিত শাহ সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে বসেন। বেশি রাতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার বাড়িতে এই বৈঠক হয়। এদিকে রবিবারই কলকাতায় প্রতিবাদী কৃষকদের সমর্থনে মিছিল বেরয় কলকাতায়। মিছিল শেষে নরেন্দ্র মোদির কুশ পুতুলও পোড়ানো হয়।

    হরিষ মুখার্জী রোডের সন্ত কুটিয়া গুরদ্বারা থেকে মিছিল বেরয়। মিছিল যায় কলুটোলা পর্যন্ত।মিছিল থেকে দাবি করা হয় কেন্দ্র যেন অবিলম্বে এমন আইন আনে যার ফলে কৃষকরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য থেকে বঞ্চিত না হয়। মিছিল প্রতিবাদী চাষিদের প্রতি সমর্থন জানানোর জন্যই বার করা হয় বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, যেভাবে হরিয়ান পুলিশের বর্বরোচিত আক্রমণ, জলকামান ব্যবহার এবং কাঁদানে গ্যাস উপেক্ষা করে কৃষকরা দিল্লি অভিমুখে যাত্রা করেছেন তাকে তাঁর বাহবা জানাচ্ছেন। তাঁর বলেছেন কেন চাষিরা বিনা বাধ্যয় তাঁদের যাত্রা করতে পারবেন না। কেন তাঁদের প্রতিবাদে এই ভাবে বাধা দেওয়া হবে। দেশে শন্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সকলেরই আছে। রবিবারেরর মিছিলে ংশ নেওয়া সকলেরই শিকড় এখনও রয়েছে পাঞ্জাবে। তাঁদের জমি জমা রয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা যদি এম এস পি নিশ্চয়তা না থাকে তাহলে তাঁরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।যদি বাজার থেকে চাষি ভাল দাম না পান তাহলে তাঁরা সরকার নির্দ্ধারিত সহায়ক মূল্যে নিজেদের ফসল বিক্রি করতে পারবে। কিন্তু কেন্দ্রের মোদি সরকার যে নয়া কৃষি আইন পাশ করেছে তাতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের কথা বলা হয়নি। এরফলে কৃষকদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে সরকার আর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ব্যবস্থা আর রাখতে চাইছে না।

    প্রায় ৫০০টি সংগঠনের প্রতিনিধিরা এদিনের মিছিলে যোগ দেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, কৃষকদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হরিয়ানা পুলিশ আক্রমণ করেছে। খরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন তাঁরা। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এই আন্দোলনে খালিস্তানীদের যোগ রয়েছে। তিনি বলেন ২৬ এবং ২৭ তারিখ হরিয়ানার সীমান্ত সিল করে দেওয়া হবে। উদ্যোক্তাদের প্রশ্ন যদি রাজনৈতিক দলগুলি দিল্লিতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে পারে, তাহলে কৃষকরা কেন তা পারবেন না? এদিনের মিছুল বিজেপির রাজ্য দফতর পর্যন্ত নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। পুলিশ সে অনুমতি দেয় নি। সি আর অ্যাভিনিউতেই মিছিল আতকে দেওয়া হয়। সেখানেই তাঁরা মোদি বিরোধী শ্লোগান দেন এবং প্রধানমন্ত্রী কুশপুতুল দাহ করেন।

    এদিকে বিজেপি সভাপতিজেপি নাড্ডার বাড়ির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ, রাজনাথা সিং এবং কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। তাঁরা পরিস্থি নিয়ে আলোচনা করেন।