বুধবার, নভেম্বর 25, 2020

আট দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ মন্দা, বলছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক
আট দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ মন্দা, বলছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক

আট দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ মন্দা, বলছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক

  • scoopypost.com - Jun 09, 2020
  • চলতি বছরে বিশ্বের জিডিপি 5.2 শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক এই সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। সোমবার, বিশ্বব্যাঙ্ক তাদের সেমি অ্যানুয়াল গ্লোবাল প্রসপেক্ট রিপোর্টে এই শঙ্কার কথা প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, গত আট দশকে যা সবচেয়ে কম। জানুয়ারি মাসে তাদের অনুমান ছিল 2.5 শতাংশ বৃদ্ধি হতে পারে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের অর্থনীতি এই প্রথম এত সঙ্কুচিত হচ্ছে। তাদের আশঙ্কা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের আয় কমবে এবং দরিদ্রের সংখ্যা বাড়বে।তবে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২১ এ বৃদ্ধি গিয়ে দাঁড়াতে পারে 4.2 শতাংশে।বিশ্ব ব্যাঙ্ক বলছে বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ দেশের মানুষের আয় কমবে। যার ফলে ৭০ থেকে ১০০ মিলিয়ন মানুষ চরম দারিদ্রের মুখে পড়বেন।সামগ্রিক ভাবে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলিতে ৭ শতাংশ সঙ্কোচন হবে । ইউরো এলাকায় এই হার দাঁড়াবে ৯ শতাংশের একটু বেশি। উন্নয়নশীল দেশগুলির অর্থনৈতিক সঙ্কোচন আড়াই শতাংশ হারে কমবে বলে তাদের অনুমান। ১৯৬০ সালের পর যা সবচেয়ে কম।ভারতের সঙ্কোচনের হার দাঁড়াতে পারে তিন দশমিক দুই শতাংশে। ইউ  এসের ক্ষেত্রে সঙ্কোচনের হার দাঁড়াতে পারে ছয় দশমিক একে। যদিও চিন কিন্তু এক শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে। ১৯৭৬ সালের পর যা সবচেয়ে কম।

    বিশ্ব ব্যাঙ্ক বলছে, যে সব দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নড়বড়ে, অর্থনীতি বেশিটাই বিদেশি বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল তারাই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    বিশ্ব ব্যাঙ্ক দু ধরণের সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেছে। এক – যেখানে কোভিড-১৯ যা মনে করা হয়েছিল তার চেয়েও বেশি দিন স্থায়ী হয়। তার জন্য সমস্ত গতিবিধি ফের নিয়ন্ত্রণ করতে হয় সেখানে এ বছর এই অর্থনৈতিক সঙ্কোচনের হার দাঁড়াতে পারে ৮ শতাংশে। আর দুই-যেখানে খুব তাড়াতাড়ি এই নিয়ন্ত্রণ বিধি ব্যাপকভাবে তুলে নেওয়া সম্ভব হবে সেখানে এই সঙ্কোচন ৪ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। যা ২০০৯ এর মন্দার চেয়েও প্রায় দুগুণ বেশি।

    এদিকে ইন্টারন্যাশানাল মনিটারি ফান্ড বা আই এম এফ তার পরবর্তী সমীক্ষা ২৪ জুন প্রকাশ করবে। এপ্রিল মাসে তারা বিশ্ব অর্থনীতিতে ৩ শতাংশ সঙ্কোচনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল। যদিও আই এম এফের মুখ্য অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথের আশঙ্কা  পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।