বুধবার, মে 12, 2021

তেল বেচেই লক্ষীলাভ মোদি সরকারের
তেল বেচেই লক্ষীলাভ মোদি সরকারের

তেল বেচেই লক্ষীলাভ মোদি সরকারের

  • scoopypost.com - Jan 18, 2021
  • রেকর্ডের পর রেকর্ড করে চলছে পেট্রল-ডিজেলের দাম। একদিকে দাম যত বাড়ছে ততই লক্ষীলাভ  হচ্ছে মোদি সরকারের। কোনও বিরোধী দল নয়, কন্ট্রোলার  জেনারেল অব অ্যাকাউন্টসের( সি জি এ) হিসেব এ কথা বলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিরোধীরা মোদি সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

    অতিমারির দাপটে বিশ্বজুড়ে লকডাউনের সময় চাহিদা কমে তেলের । ফলে বিশ্ববাজারে দাম পড়ে যায় তেলের। আনলক পর্ব শুরু হওয়ার পর ফের তেলের চাহিদা বাড়তে থাকে। হিসেব বলছে গত কয়েক মাসে কেন্দ্র সরকার তেলের ওপর উৎপাদন শুল্ক চাপিয়ে ঘাটতি মিটিয়েও বহু টাকা লাভ করেছে। সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়েই বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। কোভিড-১৯ এর জেরে সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে বিপুল প্রভাব পড়েছে। বাদ নেই ভারতও। দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের মোদি সরকার পেট্রল-ডিজেলের ওপর উৎপাদন শুল্ক চাপিয়ে তাদের লাভের অঙ্ক বাড়িয়ে চলেছে। এই মুহূর্তে কলকাতায় পেট্রল-ডিজেলের দাম লিটার পিছু ৮৬ টাকা ৩৯ পয়সা এবং ৭৮ টাকা ৭২ পয়সা।  হিসেব অনুযায়ী পেট্রল- ডিজেলের দামের এক তৃতীয়াংশই হল উৎপাদন শুল্ক।

    সাধারণ মানুষের দাবি কেন্দ্র সরকার উৎপদন শুল্ক কমালেই খোলা বাজারে পেট্রল-ডিজেলের দাম অনেকটাই কমে যাবে।স্বস্তি পাবে সাধারণ মা্নুষ।মোদি সরকার সে পথে না হেঁটে উৎপাদন শুল্ক বজায় রাখছে। পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ার ফলে তার প্রভাব পড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের দামেও।

    সিজিএর রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ২০১৯ সালের এপ্রিল-নভেম্বরের তুলনায় এ বছর ওই একই সময়ে আদায় বেড়েছে প্রায় ৪৮ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১,৯৬,৩৪২ কোটি।

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মোদি সরকার পেট্রল-ডিজেলে উৎপাদন শুল্ক বাড়িয়ে চলেছে। এ বছর তা সবচেয়ে বেশি। ২০১৪ সালে পেট্রলে শুল্কের পরিমাণ ছিল ৯টাকা ৪৮ পয়সা। ডিজেলে ছিল ৩টাকা ৫৬ পয়সা। ২০২০ সালে তা বেড়ে হয়েছে পেট্রলে ৩২ টাকা ৯৮ পয়সা এবং ডিজেলে ৩১ টাকা ৮৩ পয়সা।

    আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় আসা মোদি সরকারের আমলে সাধারণ মানুষের জীবনে এখন নাভিশ্বাস উঠে গেছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। অথচ সরকার নির্বিকার।

     

    .